বাইবেল উন্মোচিত করে আমরা জানতে পারি 21শে মে, 2011 শেষ বিচারের দিন!
 
Printer-Friendly PDF Version
US Legal (8.5 x 14)
.pdf
Download Adobe Acrobat Reader

 

বাইবেল উন্মোচিত করে

আমরা জানতে পারি

21শে মে, 2011

শেষ বিচারের দিন!


21শে মে 2011 শেষ বিচারের দিন এই তথ্য শোনার পর, অনেক চার্চ অতিদ্রুত একটি বাইবেল স্তবকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছে যেমন:

মথি 24:36 কিন্তু সেই দিনের ও সেই দণ্ডের তত্ত্ব কেহই জানে না, স্বর্গের দূতগণও জানেন না, পুত্রও জানেন না, কেবল পিতা জানেন৷

“আপনি লক্ষ্য করবেন,” এই স্তবকটি বলার পরে তাঁরা বলেন, “বাইবেল আমাদের বলে কোনও মানুষ জানতে পারে না৷” এমনকি তাঁরা এও যোগ করতে পারেন “স্বয়ং প্রভু যীশুও সেই সময় জানেন না; এই কারণে, আপনার বলা 21শে মে তারিখটি ভুল৷” এই বিবৃতি দ্রুত দেওয়ার এবং বিশ্বের অন্তিম দিন সম্পর্কিত তথ্য খারিজ করার সাথে সাথেই এই ব্যক্তি তাঁর (পুং/স্ত্রী) নিজের মত নিয়ে এগিয়ে যাবেন যে এমনটি কখনও হবে না৷ “তত্সত্ত্বেও,” তাঁরা মনে করেন, “বাইবেল বলে আমরা অন্তিম সময় জানতে পারি না৷”

অবশ্যই, আমরা স্বীকার করি যে বাইবেলে এই স্তবকটি আছে৷ যদিও, প্রশ্ন হল: বাইবেলের বাকি অংশও কি এই ধারণাটিকে সমর্থন করে যে আমরা বিশ্ব শেষ হওয়ার সময় জানতে পারি না? অথবা, বাইবেলে এমন আরও অতিরিক্ত তথ্য আছে কি যা ঈশ্বরের লোকেদের বিশ্ব শেষ হওয়ার সময় জানার মঞ্জুরি দেবে?

সর্বপ্রথম, আমাদের দ্রুত উল্লেখ করতে হবে যে যীশু খ্রীষ্ট হলেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর৷ এবং যেহেতু যীশু খ্রীষ্ট হলেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তাই, বিশ্ব কখন শেষ হবে তা যে তিনি জানেন সেই বিষয়ে কোনও প্রশ্ন থাকতে পারে না৷

ইয়োব 24:1 …সর্ব্বশক্তিমান হইতে কোন সময় নিরূপিত হয় না …

এই পুস্তিকার উদ্দেশ্য হল বাইবেল থেকে দেখানো যে যদিও আমরা এখন বিশ্বের ইতিহাসের শেষ দিনে পৌঁছেছি, তবুও বাইবেল থেকে যথাযথ সময় সহ বিশ্ব শেষ হওয়া সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করাই হল ঈশ্বরের পরিকল্পনা (এবং তা সর্বদাই ছিল)৷ উদাহরণের জন্য, আমরা এই পরিকল্পনা শাস্ত্রের নিম্নোক্ত অধ্যায়ে দেখি:

দানিয়েল 12:4 কিন্তু হে দানিয়েল, তুমি শেষকাল পর্যন্ত এই বাক্য সকল রুদ্ধ করে রাখ, এই পুস্তক মুদ্রাঙ্কিত করে রাখ; অনেকে ইতস্ততঃ ধাবমান হইবে, এবং জ্ঞানের বৃদ্ধি হইবে৷

এই স্তবক অনুসারে, শেষ হওয়ার সময় পর্যন্ত ঈশ্বর এই শব্দগুলি বন্ধ ও পুস্তকটি (বাইবেল) সিল করেছেন৷ বাইবেলের তথ্য সিল থাকার কারণে, কোনও মানুষ বিশ্ব শেষ হওয়ার সময় সম্পর্কে জানতে পারেনি৷ কিন্তু দানিয়েল 12:4-এর গুরুত্বপূর্ণ তাত্পর্য হল, শেষ হওয়ার সময় এসে উপস্থিত হলে সিল খুলে যাবে৷ এছাড়াও, শেষ হওয়ার সময় এসে হাজির হলে, “জ্ঞান বাড়তে থাকবে৷” মথি 24:36 ঘোষণা করে যে কেউ জানে না “কিন্তু কেবল মাত্র আমার পিতা জানেন৷” ঈশ্বর সর্বদা বিশ্ব শেষ হওয়ার সময় জানেন৷ যেহেতু ঈশ্বর নিজেই বাইবেলের রচয়িতা ফলে ইতিহাসের যথাযথ সময় হাজির না হওয়া পর্যন্ত বাইবেলে এই তথ্য অপ্রকট রাখা ও তা লুকিয়ে রাখা, তাঁর পক্ষে কোনও সমস্যাই নয়৷ যেহেতু আমরা এখন বিশ্ব শেষ হওয়ার সময়ে উপস্থিত হয়েছি তাই, ঈশ্বর এখন এই বিষয়গুলি তাঁর লোকেদের কাছে প্রকাশ করছেন৷

চার্চগুলি কিসের জন্য বুঝতে পারবে না

21শে মে 2011 অন্তিম বিচারের দিন হতে চলেছে এই সংক্রান্ত কোনও কথা যদি আপনি আপনার যাজকের সাথে বলেন তাহলে এটা মোটামুটি নিশ্চিত যে তিনি এই ঘটনাটির বিরোধিতা করবেন৷ এটি পরম বিস্ময়কর যে চার্চগুলি কতটা ঐক্যতার সাথে ঘোষণা করছে যে “কোনও মানুষই শেষ সময়ের কথা জানতে পারে না৷” যদিও, কারোরই তাদের এই ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে থাকা উচিত নয় কারণ, কোন প্রশ্ন ছাড়াই, আমাদের আধুনিক কালের চার্চগুলি সত্য থেকে পতিত হয়েছে৷ বিশ্বের চার্চগুলি বাইবেলের শিক্ষার অসংখ্য বিষয় নিয়ে একে অপরের থেকে আলাদা শিক্ষা দেয় ও অসম্মত হয় (যার অর্থ হল তাদের উপসংহারে অবশ্যই ত্রুটি আছে)৷ সেইজন্য, চার্চগুলির পক্ষে “কোনও মানুষই শেষ সময়ের কথা জানতে পারে না” এই বিষয়টিতে শেষ পর্যন্ত সম্মত হওয়া প্রায় সম্ভব নয়৷ বরঞ্চ, এটি বিপদসংকেত, বিশেষভাবে যখন আমরা অনুভব করি যে বিশ্বের চার্চগুলির তাদের অসততার কারণে শেষ দিনে ঈশ্বরের আমাদের বিচার করবেন:

1 পিতর 4:17 কেননা ঈশ্বরের গৃহে বিচার আরম্ভ হইবার সময় হইল …

ভয়ংকর সত্যটি হল ঈশ্বর নিজে বিশ্বের চার্চগুলি পরিত্যাগ করেছেন৷ বাইবেল থেকে আমরা জানতে পারি যে চার্চের যুগ শেষ হয়েছে (এটি 1988 A.D.-তে শেষ হয়েছে)৷ ঈশ্বর আধাত্ম্যিক অন্ধকারে চার্চ ত্যাগ করেছেন৷ তারা এই ভয়াবহ সত্যটি দেখতে পাচ্ছে না যে আমরা বিশ্বের সমাপ্তিতে উপস্থিত হয়েছি৷ ঈশ্বর ইশাইয়াতে আজকের চার্চের আধাত্ম্যিক নেতাদের স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন:

যিশাইয় 56:10-11 তাহার প্রহরিগণ অন্ধ ,সকলেই অজ্ঞান, তাহারা সকলেই গোঙ্গা কুকুর, ঘেউ ঘেউ করিতে পারে না …তারা বিবেচনা-হীন পালক যারা বুঝতে পারে না…

ঈশ্বর নিজে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে অনেক ব্যক্তি যারা নিজেদের তাঁর লোক বলে ঘোষণা করে আগত সমাপ্তির সতর্কতা দেখতে পাবে না৷ ঈশ্বর নতুন ধর্মগ্রন্থ চার্চের প্রতীক ও মূর্তি রূপে পুরানো ধর্মগ্রন্থ ইজরায়েল/যুদাহ ব্যবহার করেন ও একত্রিত করেন৷ বাইবেল দেখায় যে ঈশ্বর পুরানো ধর্মগ্রন্থ যুদাহর উপর ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন এবং তাদের তিনি বিচার করবেন সেই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু তারা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুদাহ এই সতর্কতা খারিজ ও অবজ্ঞা করেছিল—অনেকটা আজকের চার্চগুলি যেমন করছে তেমন:

যিরমিয় 8:7 আকাশে হাড়গিলাও আপনার সময় জানে, এবং ঘুঘু, তালচোঁচ ও বক আপন আপন আগমনের কাল রক্ষা করে; কিন্তু আমার প্রজারা সদা-প্রভুর বিধি জানে না

এখন শেষ সময়ে, নতুন ধর্মগ্রন্থ চার্চও ঠিক একই ভুল করছে যেমনটি পুরানো ধর্মগ্রন্থ ইজরায়েল করেছিল৷ তারা ঈশ্বরের সতর্কতা (বাইবেল থেকে) খারিজ করছে, যেমন ইজরায়েল করেছিল যখন ঈশ্বর নিজের সতর্কতা ভবিষ্যদ্বক্তাদের মাধ্যমে তাদের কাছে পাঠিয়েছিলেন৷

ঈশ্বর সর্বদা নিজের লোকেদের আগে থেকে সতর্ক করেন

এখন বাইবেলের অন্যান্য তথ্য দেখার সময় হয়েছে যা আপনার চার্চ অথবা যাজক সম্ভবত বিবেচনা করতে চান না; কিন্তু আমরা যে শেষ সময় জানতে পারি তা প্রমাণ করার জন্য, আমাদের প্রথমে অবশ্যই দেখতে হবে অন্যান্য বাইবেল এই বিষয়ে কি বলে৷ উদাহরণ স্বরূপ, ঈশ্বর আমোষের পুস্তক অধ্যায় 3-এ এই বিবৃতি দেয়েছেন:

আমোষ 3:7 নিশ্চয়ই প্রভু সদাপ্রভু আপনার দাস ভাববাদিগণের নিকটে আপন গূঢ় মন্ত্রণা প্রকাশ না করিয়া কিছুই করেন না৷

আধ্যাত্মিক কথন, একজন ভবিষ্যদ্বক্তা যে কেউ হতে পারেন যিনি ঈশ্বরের বাণী বলেন৷ একজন একক বিশ্বাসী সেইজন্য একজন ভবিষ্যদ্বক্তার ভূমিকা পালন করতে পারে যেমন ভাবে আমরা অন্য ব্যক্তিদের সাথে গসপেল শেয়ার করি৷ ঈশ্বর আমাদের আমোষ 3:7-এ বলেছেন যে তিনি তাঁর লোকেদের কাছে তথ্য প্রকাশ করেন৷ তিনি বলেন যে তিনি বস্তুত প্রথমে “তাঁর দাসদের কাছে নিজের গোপন তথ্য” দৃষ্টিগোচর না করে “কোনও কিছুই করেন না”৷ বাইবেলের ইতিহাস আমরা পর্যালোচনা করলে দেখি, আমরা মূলত এই গুরুত্বপূর্ণ সত্য প্রমাণ রূপে বার বার দেখি৷ আসুন নোহার দিনের বন্যা একনজরে দেখে নেওয়া যাক:

আদিপুস্তক 6:3,5,7 সদাপ্রভু কহিলেন …তাহাদের সময় এক শত বিংশতি বত্সর হইবে …আর সদাপ্রভু দেখলেন পৃথিবীতে মনুষ্যের দুষ্টতা বড়, এবং তাহাদের অন্তঃকরণের চিন্তার সমস্ত কল্পনা নিরন্তর কেবল মন্দ …এবং সদাপ্রভু কহিলেন, আমি মনুষ্যকে উচ্ছিন্ন করিব …

এই অ্যাকাউন্টে আমরা দেখি ধ্বংস করার আগে ঈশ্বর বিশ্বকে 120 বছর দিয়েছেন৷ এতটা সময় প্রয়োজন ছিল যেহেতু ঈশ্বর নোহাকে এই 120 বছর সময়ের মধ্যে নৌকা তৈরি ও বিশ্বকে সতর্ক করার জন্য নির্বাচন করেছিলেন৷ বাইবেল নোহাকে “ন্যায়পরায়ণতার ধর্মোপদেষ্টা” (2 পিতর 2:5)রূপে জানে৷ এই দীর্ঘ সময়ব্যাপী তার নৌকা নির্মাণ নিশ্চিতভাবে অজানা থাকেনি৷ এই নৌকা নির্মাণ ঈশ্বরের প্রতি চরম বিশ্বাসের সাক্ষ্য, এবং নৌকার অস্তিত্ব এবং বিকাশ বিশ্বের থেকে অবিরত নিন্দা পেয়েছিল:

ইব্রীয় 11:7 বিশ্বাসে নোহা, যাহা যাহা তখন দেখা যাইতেছিল না, এমন বিষয়ে আদেশ পাইয়া ভক্তি-যুক্ত ভয়ে আবিষ্ট হইয়া আপন পরিবারের ত্রাণার্থে এক জাহাজ নির্ম্মাণ করিলেন, এবং তদ্দ্বারা বিশ্বকে দোষী করিলেন ও আপন আবিশ্বাসানুসারে ধার্ম্মিকতার অধিকারী হইলেন৷

এই 120তম বছরে (4990 B.C.) ঈশ্বর আরও একবার নোহাকে বন্যার সময় সম্পর্কে সচেতন করে আরও তথ্য দিয়েছিলেন৷ শুধুমাত্র এই সময়ে, ঈশ্বর খুব নির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছিলেন৷

আশ্চর্যজনকভাবে, বন্যা হওয়ার আগে, ঈশ্বর নোহাকে যথাযথ বছর, মাস, এবং আগত মহাপ্লাবনের দিন বলেন:

আদিপুস্তক 7:1,4,10-11 আর সদাপ্রভু নোহাকে কহিলেন…কেননা সাত দিনের পর আমি পৃথিবীতে চল্লিশ দিবারাত্র বৃষ্টি বর্ষাইব …পরে সেই সাত দিন গত হইলে পৃথিবীতে জলপ্লাবন হইল৷ নোহের বয়সের ছয় শত বত্সরের দ্বিতীয় মাসের সপ্তদশ দিনে …

এটি কোন আকস্মিক ঘটনা নয় যে আমাদের এই বর্তমান সময়ে ঈশ্বরের লোকেরা জানেন যে 2011 সালের মে মাসের 21 তারিখে (বন্যা হওয়ার ঠিক 7,000 বছর পরে) সমাপ্তির সময় আসবে৷ এটি ঠিক সেই উপমা যার সম্বন্ধে ঈশ্বর নোহাকে বলেছিলেন৷ এছাড়াও মনেরাখার বিষয় হল এই 2011 সালের 21শে মে হল হিব্রু ক্যালেন্ডারের 2য় মাসের 17তম দিন, যে দিন বন্যা শুরু হয়েছিল এবং ঈশ্বর নোহা ও তার পরিবারকে নৌকাতে আবদ্ধ করেছিলেন৷ এছাড়াও আমাদের স্মরণ করা উচিত যে যীশু বন্যাকে তাঁর আগমণের সময়ের উদাহরণ রূপে উল্লেখ করেছিলেন:

মথি 24:38-39 কারণ জলপ্লাবনের সেই পূর্ববর্ত্তী কালে, জাহাজে নোহের প্রবেশ দিন পর্য্যন্ত, লোকে যেমন ভোজন ও পান করিত, বিবাহ করিত ও বিবাহিত হইত, এবং বুঝিতে পারিল না, যতক্ষণ না বন্যা আসিয়া সকলকে ভাসাইয়া লইয়া গেল ; তদ্রূপ মনুষ্যপুত্রের আগমন হইবে

খ্রীষ্টের আগমণ নোহার দিনের মত হবে৷ প্রশ্ন হল যেকোন ব্যক্তি যে বাস্তবিকই সত্য জানতে চায় অবশ্যই জানতে চাইবে: এটি আসার আগে আগত বন্য সম্পর্কে কেউ কি কিছু জানত না? অথবা, কোনও মানুষই কি বন্যার সময় সম্পর্কে জানত না? বাইবেলের উত্তর হল: হ্যাঁ, ঈশ্বরের লোকেরা জানত৷ নোহা জানত৷ নোহার স্ত্রী জানত৷ নোহার তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রীরা জানত৷ যতক্ষণ নোহা একজন ধর্মোপদেষ্টা ছিল তাদের আশেপাশের বিশ্ব এই বিষয়ে জানত৷ যদিও, কোনও সন্দেহ ছাড়াই তারা নোহাকে পাগল বলে গণ্য করত৷ ফলস্বরূপ, তারা সকলে বন্যাতে প্রাণ হারান৷ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা বাইবেল প্রকাশ করে তা হল ঈশ্বরের পাঠানো এই সতর্কতা সকল ধরণের লোকেরা শোনে, কিন্তু কেবলমাত্র তাঁর নির্বাচিত লোকেরাই এটিতে প্রতিক্রিয়া করেন ও পদক্ষেপ নেন৷ সেইজন্য, নোহার দিনের বন্যাতে ভয়ঙ্কর মৃত্যুর বিষয়ে যা বলা হয় তার কথা মাথায় রেখে, আমদের পক্ষে এই শ্লোকটি লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ:

2 পিতর 2:5 আর তিনি পুরাতন জগতের প্রতি মমতা করেন নাই, কিন্তু যখন ভক্তিহীনদের জগতে জলপ্লাবন আনিলেন, তখন আর সাত জনের সহিত ধার্ম্মিকতার প্রচারক নোহাকে রক্ষা করিলেন৷

ঈশ্বর নিষ্পেষণ করেন যে নোহার দিন সমস্ত “অসত্” লোকেদের ধ্বংস করে৷

এটি একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা৷ ঈশ্বরের সমস্ত (রক্ষা পাওয়া) লোকেরা বন্যা সমম্পর্কে সূচিত হয়েছিল ও মৃত্য থেকে উদ্ধার পেয়েছিল৷ প্রত্যেক পাপমুক্ত ব্যক্তি এর আগমণ জানত ও নোহার সাথে নৌকাতে উঠতে সক্ষম হয়েছিল৷ আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে ঈশ্বর নোহার সময়ের বাকি লোকেদেরও সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু নোহা তাদের যা বলেছিল তারা তা বিশ্বাস করেনি৷ অন্যভাবে, আমোষ 3:7-এ বর্ণিত বাইবেল তত্ত্বও একই জিনিস বলে৷ ঈশ্বর তাঁর লোকেদের পূর্ব সতর্ক করেছিলেন৷ বাকি লোকেরা শুনেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঈশ্বরের সতর্কতাকে উপেক্ষা করেছিল৷ ফলস্বরূপ, তারা অসতর্ক হয়েছিল ও ধ্বংস হয়েছিল৷ এই কারণেই বাইবেল বলে খ্রীষ্ট “রাত্রিতে একজন চোর”-এর মত আসবেন৷

ঘটনা হল ঈশ্বর নোহা ও তার পরিবারকে পূর্বসতর্ক করেছিলেন, এই বিষয়টি, যা আমাদের থামায় ও ভাবায় যে এই ভাবে ঈশ্বর শেষ বিচারের দিন আসার আগের অন্তিম সময় প্রকাশ করবেন৷ যদিও, বাইবেলের ইতিহাসে ঈশ্বরের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিবেচনা করার আগে আমাদের কাছে আরও অনেক কিছু আছে৷

আসুন সদোম ও গোমোরাহের ধ্বংসে এক নজর দেওয়া যাক৷ সদোম ও গোমোরাহের মত শহর ধ্বংসের আগে ঈশ্বর আব্রাহামের কাছে আসেন ও এই শহরগুলির শেষ বিচারের জন্য নিজের পরিকল্পনা জানান৷ অর্থপূর্ণভাবে, আমরা পড়ি:

আদিপুস্তক 18:16-17 …সেই ব্যক্তি …সদোমের দিকে দৃষ্টি করিলেন … তাহাতে সদাপ্রভু কহিলেন , আমি যাহা করিব, তাহা কি আব্রাহাম হইতে লুকাইব ;

ঈশ্বর আব্রাহামের কাছে সদোম ধ্বংস করার নিজের পরিকল্পনা লুকান নি৷ ঈশ্বর নিজের ভৃত্যেক কাছে এই তথ্য ভাগ করাকে সঠিক বিবেচনা করেছিলেন৷ একবার জানার পরে, আব্রাহাম শহরের ধর্মনিষ্ঠদের কাছে অনুরোধ (প্রার্থনা) করতে শুরু করেন৷ আব্রাহামের ভাইপো লোট সোডোমে বাস করত৷ বাইবেল আমাদের বলে যে লোট একজন ধর্মনিষ্ঠ লোক ছিল (ঈশ্বর তাকে রক্ষা করেছিলেন ও খ্রীষ্টের মাধ্যমে তাকে ধর্মনিষ্ঠ করেছিলেন— 2 পিতর 2:7-8 দেখুন)৷

ঈশ্বর ধর্মনিষ্ঠদের পাপীদের সাথে ধ্বংস করেননি৷ তাই ঈশ্বর কাজ করেছিলেন৷ ঈশ্বর লটকে আগত বিচার সম্পর্কে সচেতন করে সতর্ক করেছিলেন:

আদিপুস্তক 19:12-13 সেই ব্যক্তিরা লোটকে কহিলেন, এই স্থানে তোমার আর কে কে আছে? তোমার জামাতা ও পুত্র কন্যা …সকলকে এই স্থান হইতে লইয়া যাও: কেননা আমরা এই স্থান উচ্ছিন্ন করিব…সদাপ্রভু ইহা উচ্ছিন্ন করতে আমাদের পাঠিয়েছেন৷

লোট এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদোম ও গোমোরাহের ধ্বংস থেকে চলেগিয়েছিল কারণ ঈশ্বর নিজে অগ্রিম সতর্কতা দিয়েছিলেন, এই তথ্য লোট তার জামাতাদের সাথে ভাগ করেছিল কিন্তু তারা তা গম্ভীরভাবে নেয়নি (আদিপুস্তক 19:14)৷ আমাদের এও বিবেচনা করা উচিত যে যীশু বলেছেন তাঁর আগমণ লোটর সময়ের মত হবে:

লূক 17:28-30 সেইরূপ লোটের সময়ে যেমন হইয়াছিল-লোকে ভোজন, পান, ক্রয়, বিক্রয়, বৃক্ষরোপণ ও গৃহ নির্ম্মাণ করিত, কিন্তু যে দিন লোট সদোম হইতে বাহির হইলেন, সেই দিন আকাশ হইতে অগ্নি গন্ধক বর্ষিয়া সকলকে বিনষ্ট করিল৷ মনুষ্যপুত্র যে দিন প্রকাশিত হইবেন, সে দিনেও সেইরূপ হইবে৷

সত্য হল লোটর সময়ে, ঈশ্বর আগে থেকে তাঁর লোকেদের সোডোমের ভয়াবহ বিচার সম্পর্কে সতর্ক করেছিলে৷ এছাড়াও, সতর্কতা পাওয়া অন্য লোকেরা আগে থেকে পাওয়া সেই তথ্যে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি৷ ঐতিহাসিক ঘটনা হল, আব্রাহাম ও লটকে ঈশ্বরের আগাম সতর্ক করা আবার দেখায় যে শেষ বিচারের দিন আসার আগে ঈশ্বর একইভাবে সেই সময় প্রকাশ করবেন, এবং তা বিবেচনা করার জন্য আমাদের কাছে আরও ধর্মগ্রস্থ আছে৷

রাত্রিতে একজন চোর

অনেকে দক্ষ খ্রিস্টীয় ভুলভাবে মনে করেন যে যীশু তাদের আশীর্বাদ করার জন্য “একজন চোর রূপে” আসবেন এবং তারপরে তাদের পুরস্কার হিসাবে তাদেরকে অনন্ত জীবন দেবেন৷ কিন্তু লোকেরা এই ধারণা কোথা থেকে পায় যে একজন চোর আশীর্বাদ দিতে আসবে? বাইবেল আমাদের বলে একজন চোর ঠিক কী করতে আসে:

যোহন 10:10 চোর আইসে, কেবল যেন চুরি, বধ ও বিনাশ করিতে পারে আমি আসিযাছি, যেন তাহার জীবন পাই ও উপচর পাই৷

যীশু তাঁর নির্বাচিত লোকেদের জন্য (দৃষ্টান্তস্বরূপ নোহা, আব্রাহাম, লোট, ইত্যাদি) অপ্রত্যাশিত রূপে একজন চোরের আসেন না, কিন্তু তিনি বিশ্বের সকল পাপীদের জন্য একজন চোর রূপে আসেন :

1 থিষলনীকীয় 5:2-3 কারন তোমরা আপনারা বিলক্ষণ জান, রাত্রিকালে যেমন চোর, তেমনি প্রভুর দিন আসিতেছে৷ লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তখনই তাহাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসব-বেদনা উপস্থিত হইয়া থাকে, তেমনি আকস্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তাহারা কোন ক্রমে এড়াইতে পারিবে না৷

যেহেতু ঈশ্বর বর্ণনা করেন যে “আকস্মিক বিনাশ” তাদের উপর আসতে চলেছে এবং ঘোষণা করেন যে “তারা পালাতে পারবে না,” এটি খুব স্পষ্ট যে “পাপীরা” নজরে আছে৷ তাদের হত্যা ও ধ্বংস করার জন্য খ্রীষ্ট তাদের কাছে “একজন চোর রূপে” আসেন৷ কিন্তু পরবর্তী স্তবকটি লক্ষ্য করুন:

1 থিষলনীকীয় 5:4 কিন্তু, ভ্রাতৃগণ তোমরা অন্ধকারে নও যে, সেই দিন চোরের ন্যায় তোমাদের উপরে আসিয়া পড়িবে

সুস্পষ্টভাবে, আমরা দেখব ঈশ্বরের লোকেরা অতর্কিতে অপ্রস্তুত হয়ে পড়বে না৷ ঈশ্বর তাঁর লোকেদের প্রথমে সতর্ক না করে কোন কিছুই করেন না তারা তা কীভবে জানতে পারে? ঈশ্বর নোহাকে সতর্ক করেছিলেন৷ ঈশ্বর লটকে সতর্ক করেছিলেন৷ কীভেব কেউ ভাবতে পারে যে ঈশ্বর তাঁর লোকেদের এই অপেক্ষাকৃত কম ধরণের শেষ বিচারের দিনের ব্যাপারে সতর্ক করবেন এবং তিনি তাঁর নিজের নমুনা অনুসরণ করবেন না ও প্রকৃত শেষ বিচারের দিনের সময়ে বসবাস কারী প্রায় 7 বিলিয়ন আত্মাকে সতর্ক করবেন না? তদোতিরিক্ত, আমরা দেখি যে যীশু সকলকে “দেখতে” আদেশ করেন যেহেতু তারা তাঁর আগমনের সময় জানে না৷ যীশু কেবলমাত্র তাদের কাছে চোরের মত আসেন যারা দেখে না:

প্রকাশিত বাক্য 3:3 …যদি জাগ্রত না হও, তবে আমি চোরের ন্যায় আসিব; এবং কোন দণ্ডে তোমার নিকটে আসিব তাহা তুমি জানিতে পারিবে না৷

খ্রীষ্ট প্রকৃত বিশ্বাসকারীদের বাইবেলে লক্ষ্য রাখতে (দেখতে) আদেশ দিয়েছেন৷ তাঁর লোকেরা ঈশ্বরের বাণী পাঠ করতে থাকে৷ এর কারণ হল ঠিক সময় এলে তিনি সিল থাকা বাণী বোঝার জন্য আমাদের দৃষ্টি খুলে দেবেন৷ যদিও যেই এই বাণেগুলিতে লক্ষ্য রাখে সহজেই বুঝতে পারে যে খ্রীষ্ট তাদের কাছে “রাত্রিতে একজন চোর রূপে” আসবেন না৷ যীশু কেবল তাদের কাছে “একজন চোর হিসাবে” আসবেন যারা এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকে যে খ্রীষ্টের আগমণের সময় তারা জানতে পারবে না৷ সেই সময় জানা সম্ভব নয় এই গোঁ ধরে থাকার মাধ্যমে, চার্চগুলি ইঙ্গিত দেয় যে তারা অন্ধকারে আছে ও দেখার কোনও ইচ্ছাই তাদের নেই৷ যেকোন ব্যক্তির পক্ষে আমরা সমাপ্তির সময় জানতে পারি না এই সিদ্ধান্তে একভাবে জেদ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর৷ কারণ যখন যীশু তাদের কাছে আসবেন, তিনি “একজন চোরের” মত আসবেন তারা আকস্মিকভাবে ধ্বংস হবে ও ঈশ্বরের শেষ বিচার থেকে পালাতে পারবে না৷ এই সমস্ত অত্যন্ত দুঃখজনক; যদিও, ঈশ্বর আমাদের প্রত্যেককে বাইবেলের নীনবীদের উদাহরণ দিয়ে সাহস দেন৷ নীনবীরাও আসন্ন অন্তিম বিচার সংক্রান্ত ঈশ্বরের সতর্কতা শুনেছিল৷

নীনবীদের ঘটনা

ঈশ্বর যোনা নামের ভবিষ্যদ্বক্তাকে নীনবীদের কাছে এক বাক্যে একটি অবিশ্বাস্য বার্তা দেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন:

যোনা 3:4 যোনা…ঘোষনা করিলেন, বলিলেন, আর চল্লিশ দিন গত হইলে নীনবী উত্পাটিত হইবে

এটি কেবলমাত্র কয়েকটি শব্দ ছিল! এই ছিল সমগ্র বার্তা যা ঈশ্বর নীনবীদের কছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যোনাকে আদেশ দিয়েছিলেন৷ একটি বার্তা যাতে মূলত দুটি বিষয় ছিল: সময় (40 দিন) এবং শেষ বিচার (পতন)৷ অবশ্যই, নীনবীদের কাছে ঈশ্বরের যোনাকে পাঠানোর এই সত্য ঐতিহাসিক ঘটনাটি, পুনরায়, লোকেদের উপর ঈশ্বরের গভীর ক্রোধ প্রকাশ করা আগে তাদের পূর্বসতর্ক করার বাইবেলে বলা ঈশ্বরের ধরণ৷ আমরা ঠিক এর পরের স্তবকে যা পাই তা সম্পূর্ণভাবে পরম বিস্ময়কর:

যোনা 3:5 তখন নীনবীয় লোকেরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করিল…

মানুষের থেকে এই দর্শানুপাতে নজর দিন৷ নীনবীরা অ্যাসিরিয়ান ছিলেন৷ যোনা একজন অ্যাসিরিয়ান ছিলেন না৷ তিনি সাধারণত তাদের ভাষাতে কথাও বলতেন না৷ তিনি কেবল অন্য দেশ থেকে ছিলেন তাই নয়, এটি ছিল একটি শত্রু দেশ৷ আকস্মিকভাবে এই অদ্ভুত মানুষটি প্রচার করা অবস্থায় নজরে আসেন৷ “এখনও চল্লিশটি দিন, এবং নীনবীর পতন ঘটবে৷”

আপনি কি অন্য এমন কোনও প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবতে পারছেন ব্যাঙ্গ, হাসি অথবা সম্পূর্ণ অবিশ্বাস ছাড়া নীনবীরা যা করে থাকতে পারে? আমাদের আধুনিক বিশ্বে, আমরা মনে করি, “কেবলমাত্র একজন অতিসরল বোকাই এই ধরণের কোনও বার্তাকে বিশ্বাস করবে!” হ্যাঁ, এমন চরম হাস্যকর বিষয়কে কেন কোন ব্যক্তি বিশ্বাস করবে না আজ আমরা সহজেই তার হাজারো কারণের কথা ভাবতে পারি, কিন্তু নীনবীরা তা বিশ্বাস করেছিল৷ এই ভয়ানক সংবাদটি সত্য এবং তা সত্যিই ঈশ্বরের থেকে এসেছিল এমন কোন সম্ভাব্য ধারণা নীনবীদের বিশ্বাসী করে তুলেছিল? নিশ্চিতভাবে, তা প্রমাণের সংখ্যা নয়৷ যোনা বাইবেল থেকে প্রশিক্ষণের কোনও এনসাইক্লোপিডিয়া নিয়ে আসেননি এবং তা নীনবী নগরের প্রতিটি দরজার সামনে রেখে আসেননি৷ না! তিনি কেবলমাত্র একটি বাক্য বলেছিলেন—প্রমাণের নগণ্যতা—এবং তারা এটিই বিশ্বাস করেছিল:

মথি 12:41 নীনবীয় লোকেরা বিচারে এই কালের লোকেদের সহিত দাঁড়াইয়া ইহাদিগকে দোষী করিবে, কেননা তাহারা যোনার প্রচারে মন ফিরাইয়াছিল…

আপনি ইতিমধ্যে শুনেছেন যে শনিবার, 21শে মে, 2011 শেষ বিচারের দিন৷ হতে পারে আপনি আরও বাইবেলের প্রমাণ শুনেছেন, এবং তথাপি, এখনও আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না৷ আপনি কি আরও বেশি প্রমাণ চান? নীনবীদের কাছে এমন তথ্যের বহুলতা ছিল না আজ আমাদের কাছে যেমন আছে৷ তাদের কাছে তথ্য বলতে ধর্মগ্রন্থের শোল্কের কেবলমাত্র সামান্য অংশ ছিল৷ আমরা আজ লোকেদের বাইবেল থেকে অনেক তথ্য দিতে পারি৷ (21শে মে 2011-তে আসন্ন শেষ বিচারের দিন সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, EBF তাদের বিনামূল্যে পুস্তক “আমরা প্রায় সেখানে পৌঁছে গেছি!” প্রস্তাব করে, যদিও ফ্যামিলি রেডিও-র সাথে সংযুক্ত নয়, এই ঠিকানাতে লিখুন: Family Radio, Oakland, CA 94621 USA অথবা এখানে অনলাইন পড়ুন: www.familyradio.com )৷ যদিও, তথ্যের ঢিপি কখনই কাউকে মানাতে পারে না৷ যীশু এটি নির্দেশ করেছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন:

যোহন 8:47 যে কেহ ঈশ্বরের, সে ঈশ্বরের কথা সকল শুনে, এই জন্যই তোমরা শুন না, কারণ তোমরা ঈশ্বরের নহে৷

দয়া করে সাংঘাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নোট করুন যাতে নীনবীরা ঈশ্বরে ভরসা করে ও খুব দ্রুত এই সমস্যাতে কাজ করে:

যোনা 3:6-8 আর সেই বার্তা নীনবী-রাজের নিকটে পৌঁছিলে তিনি আপন সিংহাসন হইতে উঠিলেন, গাত্রের শাল রাখিয়া দিলেন, এবং চট পরিধান করিয়া ভস্মে বসিলেন৷ আর তিনি নীনবীতে রাজার ও তাঁহার অধ্যক্ষগণের আদেশে এই কথা উচ্চৈঃস্বরে প্রচার কর আইলেন, মনুষ্য ও গোমেষাদি পশু কেহ কিছু আস্বাদন না করুক, কিন্তু মনুষ্য ও পশু চট পরিধান করিয়া যথাশক্তি ঈশ্বরকে ডাকুক, আর প্রত্যেক জন আপন আপন কুপথ ও আপ নাপন হস্তস্থিত দৌরাত্ম্য হইতে ফিরুক৷

সময়ের প্রভেদ ও শেষ বিচার

যখন আমরা বাইবেলের ইতিহাস পরীক্ষা করি, আমরা দেখি শেষ বিচারের দিন আসার আগে কীভাবে ঈশ্বর তাঁর লোকেদের আসন্ন বিচারের দিন সম্পর্কে বারবার সাবধান করেন৷ সমগ্র বাইবেল জুড়ে এটি এতটাই সংগতিপূর্ণ যে এটিকে নিশ্চিতভাবে বাইবেলের কোন তত্ত্ব বলা যেতে পারে, যেমন আমোষ 3:7-এ বলা হয়, “ঈশ্বর কিছুই করবেন না, কিন্তু নিজের সেবকদের কাছে গোপনীয়তা প্রকাশ করবেন৷ ”

বাইবেলে, ঈশ্বর মনুষ্যজাতিকে দুটি গোষ্ঠীতে ভাগ করেন৷ যাদের তিনি রক্ষা করেন তাদের “জ্ঞানী” রূপে এবং যাদের তিনি রক্ষা করেন না তাদের “নির্বোধ” রূপে উল্লেখ করেন৷ তিনি তাদের “ধর্মনিষ্ঠ” অথবা “পাপী” রূপেও অভিহিত করেন৷ দুই-এর মধ্যে ভেদাভেদে বুদ্ধি বা মনুষ্য জ্ঞানের অথবা যেকোন ধরণের মনুষ্য গুণের কোনও সম্পর্ক নেই৷ ঈশ্বর কাউকে রক্ষা করলে ও খ্রীষ্টের আত্মা দিলে সে সহজেই জ্ঞানীতে পরিণত হয় (এবং ধর্মনিষ্ঠ ঘোষিত হয়)৷ রক্ষা না পাওয়া লোকেরা নির্বোধ অথবা পাপী কারণ তারা খ্রীষ্টের আত্মা (জ্ঞান) পায় না৷ আমরা বাইবেলের জ্ঞানের বিবরণকে যদি মাথায় রাখি তাহলে, নিম্নলিখিত শ্লোকগুলি বুঝতে এটি আমাদের দারুনভাবে সাহায্য করবে:

দানিয়েল 12:9-10 …দানিয়েল তুমি প্রস্থান কর, কেননা শেষকাল পর্যন্ত এই বাক্য সকল রুদ্ধ ও মুদ্রাঙ্কিত থাকিবে …দুষ্টদের মধ্যে কেহ বুঝিবে না; কেবল বুদ্ধিমানেরাই বুঝিবে

যতটা সম্ভব, অন্তিম সময় উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বাণী (বাইবেল) গোপন রাখা ঈশ্বরেরই অভিপ্রায়৷ কিন্তু তারপরেই লক্ষ্য করুন, ঈশ্বর বলেছেন কীভাবে “পাপীদের মধ্যে একজনও” বুঝতে পারবে না৷ কী বুঝতে? তিনি ঈশ্বরের বাণী বোঝার কথা বলছেন যা অন্তিম সময় হলে প্রকাশিত হবে৷ সারা বিশ্বে রক্ষা না পাওয়া ব্যক্তিদের একজনও এইসব বিষয় বুঝতে পারবে না, ঠিক যেভাবে নোহার সময়ের লোকেরা বন্যার সতর্কতাকে বিবেচনা করেনি এবং অনেক জন জামাতারা মত শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য তাদের দেওয়া সতর্কতাকে খারিজ করে৷ একইভাবে আজকের দিনেও, রক্ষা না পাওয়া লোকেদেরও কেউই বুঝতে পারবে না; যদিও, “জ্ঞানী” ব্যক্তি বুঝতে পারবে৷ “জ্ঞানী” ব্যক্তি কেবল মাত্র ঈশ্বরের অসীম কৃপার জন্যই বুঝতে পারে৷ ঈশ্বর নিজের সত্য এই অতীবসুন্দর শ্লোকগুলিতে আরও একবার প্রকাশ করেন:

উপদেশক 8:5 …আর জ্ঞানবানের মন সময় ও বিচার জানে৷

হিতোপদেশ 28:5 দুরাচারেরা বিচার বুঝে না, কিন্তু সদাপ্রভুর অন্বেষীরা সকলই বুঝে৷

অবশেষে, আমরা জানি কিনা যে 2011 সালের 21শে মে শেষ বিচারের দিন বাদবাকি এই বিষয়গুলি বুঝতে ঈশ্বর আমাদের চোখ খুলে দেবেন কিনা৷ যদি তিনি তা করেন তাহলে, আমরা জানতে পারব যে 21শে মে 2011 হল ঈশ্বরের কোপের দিন৷ যদি তিনি আমাদের চোখ খুলে না দেন তাহলে, আমরা জানতে পারব না৷ বাইবেল আমাদের বলে বিশ্বের অধিকাংশ লোক উদ্ধারের জন্য নির্বাচিত হন না৷ এই কারণেই যীশু অপ্রত্যাশিতভাবে কোটি কোটি লোকেদের জন্য আসেন৷ তারা আধ্যাত্মিক বিষয় বুঝতে পারে না৷ যতক্ষণ না তারা ঈশ্বরের আত্মা পাচ্ছে, তারা সতর্কতা গ্রহণ করতে এবং বুঝতে পারবে না৷ দুঃখজনকভাবে তারা নিশ্চিতরূপে ধ্বংস হবে:

যিহিষ্কেল 33:4-5 তবে যে কেহ তুরীর শব্দ শুনিয়াও সচেতন না হয়, যদি খড়গ উপস্থিত হয় ও তাহাকে সংহার করে তাহার রক্ত তাহারই মস্তকে বর্ত্তিবে…যদি সচেতন হইত প্রাণ বাঁচাইতে পারিত৷

ঈশ্বরের লোকেরা জানেন (নীনবীদের মত) যে এই তারিখগুলি সত্য ও বিশ্বাসভাজন কেননা এই তথ্যগুলি সরাসরি বাইবেল থেকে পাওয়া৷ অনেক লোক তাদের চার্চ অথবা যাজকদের বিশ্বাস করে যারা তাদের সুনিশ্চিত বলবে যে এমন কোন তারিখ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই৷ কিন্তু এই বিষয়গুলির কোনটিই বিশ্বাসভাজন নয়৷ সত্য হল বিশ্বের একমাত্র বিশ্বাসভাজন বস্তু হল বাইবেলের বাণী৷ এই কারণেই আমরা যত এই তারিখের অর্থাত 2011 সালের 21শে মে-র কাছাকাছি হচ্ছি, প্রতিটি ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, “আপনি কী বাইবেল কে বিশ্বাস করেন নাকি অন্য কোনও কিছুকে?”

হিতোপদেশ 3:5 তুমি সমস্ত চিত্তে সদাপ্রভুকে বিশ্বাস কর; তোমার নিজ বিবেচনায় নির্ভর করিও না৷

গীতসংহিতা 119:42 …আমি তোমার বাক্যে নির্ভর করিতেছি৷

 


 

ইন্টারনেটে আমাদের এখানে ভিজিট করুন:

www.ebiblefellowship.com

ইমেল: ebiblefellowship@juno.com

আপনি EBF-এ এই টোল-ফ্রি নম্বরে কল করতে পারেন: 1-877-897-6222 (কেবল আমেরিকাতে)৷

এছাড়া আমাদের এই ঠিকানাতে লিখতেও পারেন:

EBible Fellowship

P.O. Box 1393

Sharon Hill, PA 19079

USA

প্রেরিত 17:30-31 ঈশ্বর সেই অজ্ঞানতার কাল উপেক্ষা করিযাছিলেন, কিন্ত এখন সর্ব্বস্থানের সকল মনুষ্যকে মন পরিবর্তন করিতে আজ্ঞা দিতেছেন; কেননা তিনি একটি দিন স্থির করিযাছেন, যে দিনে আপনার নিরূপিত ব্যক্তি দ্বারা ন্যায়ে জগত-সংসারের বিচার করিবেন…

WeCanKnow.1.18.2010-Bengali